BREAKING
Kolkata Ring Road Project 75% Complete, Fast-Track Link Opens Ahead of Schedule|Kolkata Metro Green Line: Commercial Services to Howrah Maidan Commence with Record Turnout|East Bengal vs Mohun Bagan: High-Voltage Kolkata Derby Scheduled for This Weekend at Salt Lake Stadium|Durga Puja 2026: North & South Kolkata Pandals Unveil Eco-Friendly Thematic Showcases|New Town Tech Corridor: Global IT Giants Announce 5,000+ New Job Openings This Quarter|Weather Alert: Pleasant Evening Breeze Forecast Across South Bengal and City Coast|Netaji Subhash Chandra Bose Airport Expands Contactless DigiYatra Terminal 2 Gates|Heritage Revival: Historic Tramway Line Recommissioning Approved by Transport Department|KMC Launches 24/7 Digital Citizen Portal for Instant Municipal Grievance Resolution|Hilsa Fish Supplies Surge in City Wholesale Markets, Bringing Relief to Consumers|Smart City Mission: Kolkata Ranks Among Top Urban Digital Centers Nationwide|Fire Safety Audit: Comprehensive Inspections Initiated Across Central Kolkata Markets|
Our Kolkata
PoliticsLIVE UPDATEVerified by OurKolkata Newsroom

মহারাজা জিবজিরাও সিন্ধিয়া ১৯৪৫ সালে অশুচিদের সমান অধিকার স্বীকৃতি দেন

গওয়ালিয়রের সিন্ধিয়া রাজবংশের মহারাজা জিবজিরাও সিন্ধিয়া ১৯৪৫ সালের ৪ মে অশুচি ও হরিজন শ্রেণীর মানুষদের সমান মৌলিক অধিকার স্বীকৃতি দেন। এই ঐতিহাসিক ঘোষণাটি গওয়ালিয়রের সামাজিক কাঠামো ও ভারতীয় সমতার আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

মহারাজা জিবজিরাও সিন্ধিয়া ১৯৪৫ সালে অশুচিদের সমান অধিকার স্বীকৃতি দেন
মহারাজা জিবজিরাও সিন্ধিয়া ১৯৪৫ সালে অশুচিদের সমান অধিকার স্বীকৃতি দেনPhoto via TV9 Bangla

মূল ঘটনা ও তথ্য

গওয়ালিয়র রাজবংশের মহারাজা জিবজিরাও সিন্ধিয়া ১৯৪৫ সালের ৪ মে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা জারি করেন। এই ঘোষণায় বলা হয় যে, তখনকার সমাজে যাদের অশুচি বা হরিজন বলা হতো, তাদেরও অন্যান্য নাগরিকের মতোই মৌলিক অধিকার দাবী করার অধিকার রয়েছে।

মূল বিকাশ

  • ৪ মে ১৯৪৫ গওয়ালিয়র শহরে মহারাজা জিবজিরাও সিন্ধিয়া একটি সরকারি ঘোষণাপত্র বিতরণ করেন।
  • ঘোষণায় অশুচি ও হরিজনদের সমান মৌলিক অধিকার স্বীকার করা হয়, যা পূর্বে অনুন্নত সামাজিক শ্রেণির জন্য সীমাবদ্ধ ছিল।
  • এই সিদ্ধান্তটি গওয়ালিয়রের শাসক কর্তৃপক্ষের দ্বারা সামাজিক সমতার একটি উদ্যোগ হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।

প্রেক্ষাপট ও কারণ

গওয়ালিয়রের সিন্ধিয়া রাজবংশের শাসনকালে ভারতের সামাজিক কাঠামোতে অশুচি ও হরিজনদের বিরুদ্ধে বৈষম্য প্রচলিত ছিল। মহারাজা জিবজিরাও সিন্ধিয়া ১৯৪০ সালের দশকে জাতীয় পর্যায়ে সমতা আন্দোলনের প্রভাব অনুভব করেন। তার সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল:

  • জাতীয় সমতা আন্দোলনের উত্থান।
  • ব্রিটিশ শাসনের অধীনে গওয়ালিয়রের সামাজিক সংস্কারের চাহিদা।
  • স্থানীয় সমাজের মধ্যে অশুচি ও হরিজনদের সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা।

প্রভাব ও জনজীবন

  • অশুচি ও হরিজনদের জন্য মৌলিক অধিকার স্বীকৃতি সামাজিক সমতার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করে।
  • স্থানীয় সমাজে বৈষম্য কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
  • গওয়ালিয়র শহরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সমতা আনতে সহায়তা করে।
  • গওয়ালিয়র প্রশাসন পরবর্তীতে অশুচি ও হরিজনদের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রোগ্রাম শুরু করে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

  • এই ঘোষণার পর গওয়ালিয়র পৌরসভা অশুচি ও হরিজনদের জন্য সমতা আইন প্রণয়ন করে।
  • ১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে গওয়ালিয়র রাষ্ট্রীয় স্তরে অশুচি ও হরিজন সমতা বিধি প্রণয়ন করা হয়।
  • আধুনিক সময়ে গওয়ালিয়র শহরে এই ঐতিহাসিক ঘোষণার স্মরণে বার্ষিক সেমিনার ও শৈক্ষিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
Source: TV9 Bangla
Was this story useful?
Share on WhatsApp