মূল ঘটনা ও তথ্য
২০২৫ সালের ২৮ এপ্রিল, ভারতীয় সরকার ফ্রান্সের সাথে রাফাল মেরিন যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চুক্তি সম্পাদন করে। চুক্তিতে মোট ২৬টি বিমান অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে ২২টি এক আসন যুদ্ধবিমান এবং ৪টি দুই আসন প্রশিক্ষণ বিমান। চুক্তির মোট মূল্য প্রায় ৬৩ হাজার কোটি টাকা।
কী ঘটেছে
চুক্তি স্বাক্ষরের সময় ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও ফ্রান্সের সামরিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, রাফাল মেরিন বিমানগুলি ২০২৬-২৭ সাল পর্যন্ত ধাপে ধাপে ভারতীয় নৌবাহিনীতে পৌঁছে দেওয়া হবে। ফ্রান্সের রাফাল ডেলিভারি লাইন ২০২৪ থেকে শুরু হয়ে ২০২৭ পর্যন্ত চলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রেক্ষাপট ও কারণ
- ভারতীয় নৌবাহিনী নতুন জাহাজ INS বিক্রান্তের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে চায়।
- পূর্ববর্তী ক্রয় চুক্তিতে ৭০টি রাফাল মেরিন বিমান আগমনের অপেক্ষায় ছিল।
- উন্নত প্রযুক্তির গ্লাইডার ও এভিওনিক্স সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায়, ফ্রান্সের সাথে চুক্তি একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত।
প্রভাব ও জনজীবন
- ভারতীয় নৌবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
- রাফাল মেরিন বিমান উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রযুক্তি স্থানান্তর স্থানীয় শিল্পকে শক্তিশালী করবে।
- শিক্ষানবিশ ও প্রশিক্ষণ কর্মচারীদের জন্য নতুন সমাধান তৈরি হবে।
- সামরিক কর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু হবে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
- প্রথম রাফাল মেরিন বিমান ২০২৬ সালের মধ্যে জাহাজে পৌঁছাবে।
- ভারতীয় নৌবাহিনী নতুন বিমানগুলির জন্য প্রশিক্ষণ সেন্টার স্থাপন করবে।
- চুক্তির আওতায় প্রযুক্তি ও যন্ত্রাংশের স্থানীয় উৎপাদন শুরু হবে।
- সামরিক ও প্রযুক্তিগত মন্ত্রণালয় নিয়মিত আপডেট প্রকাশ করবে।







