সোশ্যাল মিডিয়ায় কম দামে সোনা বিক্রির বিজ্ঞাপন ও রিলস দেখে বারুইপুরের ‘ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্স’ নামের একটি দোকানে ভিড় জমাতেন ক্রেতারা। সেই রিলস দেখে দোকানটি থেকে সোনা কিনে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ তুললেন হুগলির খানাকুলের এক বাসিন্দা। এই ঘটনায় তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগকারী ক্রেতার দাবি, রিলস দেখে প্রলুব্ধ হয়ে তিনি বারুইপুরের ওই জুয়েলারি দোকান থেকে সোনা কেনেন। কেনাকাটার বিলে সোনার ওজন ২.৫৫০ গ্রাম উল্লেখ ছিল এবং হলমার্কের খরচও নেওয়া হয়েছিল। তবে বাড়িতে গয়না নিয়ে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের মনে গুণমান নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়, যা নিয়ে পরিবারে অশান্তিও শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে সন্দেহ দূর করতে ক্রেতা গয়নাটি বাইরে নিয়ে গিয়ে গলিয়ে পরীক্ষা করান। অভিযোগ, সোনা গলানোর পর পাওয়া যায় মাত্র ১.১৪০ গ্রাম। এছাড়া বিলে চার্জ নেওয়া হলেও গয়নায় কোনও হলমার্কের স্ট্যাম্প ছিল না এবং ২২ ক্যারেট হিসেবে বিক্রি করা গয়নাটি আদৌ ২২ ক্যারেটের ছিল না বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী ক্রেতা বলেন:
"দীর্ঘদিন ধরেই তো ওরা এভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে আসছে। আর এইভাবেই প্রতারণা করছে। এটা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। বাড়ির লোকের দেখেই সন্দেহ হয়। সোনা কিনে বাড়িতে অশান্তি শুরু হয়ে যায়। পরে সন্দেহ মেটাতে সোনা নিয়ে যায়, সোনা গলিয়ে দেখি এই অবস্থা।"
অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে বারুইপুর থানার পুলিশ ওই ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্সে গিয়ে প্রাথমিক খতিয়ে দেখার কাজ চালিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। সোনা কেনাবেচায় সত্যিই কোনও অনিয়ম হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে। তবে সমস্ত অভিযোগ নিয়ে ব্যাঙ্গালোর জুয়েলার্সের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।







